সর্বশেষ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচা মো. নূরনবীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচা মো. নূরনবীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় দেন। দণ্ডিত নূরনবী গোপালপুরের নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় নূরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন চাচা নূরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা নূরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সমস্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
এইচএসসি শুরু বৃহস্পতিবার, থাকবে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা

এইচএসসি শুরু বৃহস্পতিবার, থাকবে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা



চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। প্রথমদিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সব বোর্ডে সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ৩০ মিনিট আগেই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছেন ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী। সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে তারা পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৩১০টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন তিন লাখ ৩৯৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী এক লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, দিনাজপুরে ২১২টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, যশোর বোর্ডে ২৪০টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এক লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন।
চট্টগ্রামের ১১৪টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, সিলেটের ৯৬টি কেন্দ্রে ৭১ হাজার ৭১১ জন, কুমিল্লার ১৯৩টি কেন্দ্রে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহের ১১১টি কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ৩৭ জন এবং বরিশালের ১৪২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর সারা দেশে ৪৬১টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৯২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ সাত হাজার ৯৬৪ জন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ডিজিটাল নজরদারিসহ সব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

> Babon: নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক থাকবে। কোনো কক্ষে দুজনের কম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট মানদণ্ড। ৫ বাই ৬ ফুট দীর্ঘ বেঞ্চে দুজন এবং ৪ ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন।

পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সবাইকে নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে।

প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনাতেও রাখা হয়েছে একাধিক নিরাপত্তা স্তর। পরীক্ষা শুরুর তিনদিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে।

পরীক্ষার দিন নির্ধারিত প্রশ্নপত্র ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের প্রহরায় কেন্দ্রে আনা হবে এবং মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। > Babon: পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিও এবার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে এবং ক্যামেরার আইডি, পাসওয়ার্ড, ব্র্যান্ড, ডিভাইস সিরিয়াল নম্বর ও ডিভিআর/এনভিআর সংযোগের তথ্য শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে বলা হয়েছে।

সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোনো কেন্দ্রে সিসিটিভি অকার্যকর থাকলে বা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শৈথিল্য ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরাও কাঁটাযুক্ত ঘড়ি ছাড়া অন্য কোনো ডিভাইস বহন করতে পারবে না।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রে অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি বন্ধ রাখা, টয়লেট তল্লাশি, প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের সম্পৃক্ততা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। > Babon: এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে সার্বিক সমন্বয় ও জরুরি যোগাযোগের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর- ০২-২২৩৩৬৯৮১৫। 

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ইরানের যুগান্তকারী আবিষ্কার : মানব নিউরন দিয়ে "তৈরি কৃত্রিম মস্তিষ্ক "

ইরানের যুগান্তকারী আবিষ্কার : মানব নিউরন দিয়ে "তৈরি কৃত্রিম মস্তিষ্ক "

জীবন্ত মানব নিউরন ব্যবহার করে গবেষণাগারের পরিসরে একটি কৃত্রিম মস্তিষ্ক তৈরি করেছে ইরান। এই নিউরনগুলো এমন সব স্নায়বিক নেটওয়ার্ক গঠন করে, যা শেখার সক্ষমতা রাখে। এর মাধ্যমে 'অর্গানয়েড ইন্টেলিজেন্স' প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে যে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, সেখানে ইরানও যুক্ত হলো বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ইরানের কগনিটিভ সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস ডেভেলপমেন্ট টাস্কফোর্সের সেক্রেটারি আতাউল্লাহ পুর-আব্বাসি বার্তা সংস্থা মেহের-কে বলেন, মানবদেহের বাইরে স্নায়ুকোষ (নিউরন) বৃদ্ধি করার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ইরান অর্জন করেছে। এসব কোষ একে অপরের সঙ্গে সিন্যাপস তৈরি করে এবং মস্তিষ্কের মতোই শেখার সক্ষমতাসম্পন্ন নিউরাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারে।

তিনি বলেন, ‘মস্তিষ্কের কোষভিত্তিক কম্পিউটার প্রসেসর তৈরির ভিত্তি এটিই’। তার দাবি, একটি দেশীয় জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এ প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে।

পুর-আব্বাসির মতে, এই প্রযুক্তির দুটি বড় সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রচলিত সিলিকন চিপের তুলনায় এর শক্তি বা বিদ্যুৎ ব্যবহারের হার প্রায় ১০ লাখ গুণ কম।

তিনি আরও বলেন, ‘এই দুই সুবিধার কারণে কোষভিত্তিক প্রসেসরের দিকে অগ্রসর হওয়া এখন বৈশ্বিক প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারে পরিণত হয়েছে।’

যদিও প্রযুক্তিটি এখনো বাণিজ্যিক ব্যবহারের পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত জ্ঞান দেশীয়ভাবেই অর্জন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

পুর-আব্বাসি বলেন, ‘এই প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বের অগ্রণী দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগোচ্ছে ইরান।’

‘অর্গানয়েড ইন্টেলিজেন্স’ বা জৈবভিত্তিক কম্পিউটিং এমন একটি উদীয়মান প্রযুক্তি, যেখানে জীবন্ত মানব নিউরন ব্যবহার করে এমন কম্পিউটিং ব্যবস্থা তৈরি করা হয়, যা অত্যন্ত কম শক্তি খরচে মানুষের মস্তিষ্কের মতো সমান্তরালভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম।
টাংগাইলে ১৮ দিনের সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড।

টাংগাইলে ১৮ দিনের সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড।


টাঙ্গাইলে নিজের ১৮ দিন বয়সী শিশুপুত্রকে হত্যার দায়ে আয়না বেগম (২৪) নামের এক নারীকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আয়না বেগম মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং জহিরুল ইসলামের স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকালে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম জানতে পারেন, তাদের ১৮ দিন বয়সী ছেলে রায়হান নিখোঁজ রয়েছে। পরে তিনি শ্বশুরবাড়ি দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটী এলাকায় গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বদলে গেলো ৪ কলেজের নাম, দুটির নামকরণে শহীদ জিয়াউর রহমান।

বদলে গেলো ৪ কলেজের নাম, দুটির নামকরণে শহীদ জিয়াউর রহমান।



সরকার দেশের দুটি বেসরকারি কলেজের নাম সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নামে পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে। একইসঙ্গে আরও দুটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের অনুমতি দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখা থেকে এ–সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বরিশাল অঞ্চলের পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার নাজিরপুর কলেজের নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শহীদ জিয়া কলেজ, নাজিরপুর, পিরোজপুর’। এছাড়া ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার জনতা বাজার কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘জনতা বাজার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ, চরফ্যাশন, ভোলা’।

অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ‘মৌলানা আছাদ আলী ডিগ্রি কলেজ’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘সৈয়দ সঈদউদ্দীন ডিগ্রি কলেজ, মাধবপুর, হবিগঞ্জ’ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া একই দিনে জারি করা আরেকটি প্রজ্ঞাপনে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ‘আয়েশা ছিদ্দিক মহিলা কলেজ’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘আয়েশা ছিদ্দিক মডেল কলেজ’ রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট বেসরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের অনুমতি যথাযথ নির্দেশক্রমে প্রদান করা হয়েছে। এসব প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলম।

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

 


দীর্ঘ ৪০ বছরের সংসদীয় জীবনে বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ধরনের সরকারি সুবিধা পাননি বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৮তম কার্যদিবসে তিনি এ কথা জানান।

স্পিকার বলেন, ৪০ বছর আমিও এই সংসদে কাটিয়েছি। বিরোধী দলেরও সদস্য ছিলাম। একটি কানাকড়িও কোনোদিন পাইনি। পাঁচবার গ্রেফতার হয়ে জেলে গিয়েছি। এটুকুই। প্রাপ্তিযোগ অন্য কিছু হয়নি।

তিনি বিরোধীদলীয় নেতার বাজেট-বিষয়ক বক্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, তিনি প্রায় এক ঘণ্টা বক্তব্যে দেশের বিভিন্ন সমস্যা ও বাজেটের নানা দিক তুলে ধরেছেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এই চেয়ারে বসার কারণে আমার জন্মভূমি, আমার নির্বাচনি এলাকা ভোলার সমস্যাগুলো এখানে বলতে পারি না। তিনি (বিরোধী দলীয় নেতা) সেগুলো জাতির সামনে তুলে ধরেছেন। আশা করি, অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বিষয়গুলো বিবেচনায় নেবেন।

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী

ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৯ জুন) সকালে ভাঙ্গা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী হানিফ শেখ (২২) উপজেলার পুখুরিয়া এলাকার রফিক শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। অভিযুক্তের নাম সুমাইয়া আক্তার (২২)। তাদের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া এলাকায়। তবে সম্প্রতি তারা হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে তারা বদিউজ্জামানের বাড়িতে ভাড়া ওঠেন। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। রোববার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। সোমবার সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী হানিফ শেখের গোপনাঙ্গ কেটে দেন তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার।

হানিফের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।