শিরোনাম :
সখীপুরে পুলিশকে থাপ্পর মারায় শিক্ষক গ্রেফতার সখীপুরে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এতিম শিশুদের নিয়ে কেক কাটল উপজেলা প্রশাসন এবারো জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা হচ্ছে না : শিক্ষামন্ত্রী সখীপুরে ১৪ বছর পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার। নাগরপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন পালিত নাগরপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন পালিত সখীপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ নাগরপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ তম জন্মদিন পালিত সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ,প্রসূতিদের চরম দুর্ভোগ সখীপুরে এইচএসসির ফরম পূরণ করেনি ৫৩ শতাংশ শিক্ষার্থী
সখীপুরে ১২ বছর ধরে ১২ ফুটের শিকলে বাঁধা শহিদুল!

সখীপুরে ১২ বছর ধরে ১২ ফুটের শিকলে বাঁধা শহিদুল!

লোহার চাকতি লাগানো শিকল দুই পাঁয়ে পরানো হয়েছে। শিকলে লাগলো হয়েছে ২টি বড় তালা। দিনে বাড়িতে গাছের সাথে আর রাতে ঘরে চৌকির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। ১২ ফুটের শিকলে এক যুগের বেশি বাঁধা মানসিক প্রতিবন্ধী শহিদুল ইসলামের (৩৫) জীবন। শহিদুল টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের মহানন্দনপুর গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশে একটি গাছের সঙ্গে শিকলবন্দি অবস্থায় বেধেঁ রাখা হয় শহিদুলকে। মাঝে মাঝে নজরদারি রেখে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছেড়ে দেওয়া হলে স্থানীয় বাজারে সে ঘোরাঘুরি করে। কেউ কাছে গেলে কোন কথাই বলে না।শহিদুলের বৃদ্ধ মা কাজুলি বেগম জানান, তিন ছেলের মধ্যে শহিদুল সবার ছোট। মেজো ছেলে কয়েক বছর আগে মারা যায়। জন্মের কিছুদিন পর হঠাৎ প্রতিবন্ধীর মতো হয়ে পড়ে শহিদুল। স্থানীয় পল্লোচিকিৎসক ও কবিরাজ দিয়ে তাকে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু সুস্থ হয়নি। ক্রমেই মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। সুযোগ পেলেই এদিক-সেদিক চলে যায়। এজন্য বাধ্য হয়ে পায়ে শিকল পরিয়ে আটকে রাখা হয়।তিনি আরও জানান, শহিদুলের বাবা ৫ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। অভাবের সংসারে তিনিই ছিলেন একমাত্র উর্পাজনের উৎস। মারা যাওয়ার পর মানুষের সহযোগিতায় কোন মতে সংসার চালিয়ে যাচ্ছি। বড় ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার করছে। শহিদুলকে নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছি। মায়ের হাতে ছাড়া খাবার খায় না সে।স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন বলেন, তাকে একটি ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিমাসে ৭৫০ টাকা পান শহিদুল। সেই টাকা দিয়েই কোন মতে তার খাবারের ব্যবস্থা করে তার মা।প্রতিবেশী এবং ওয়ার্ড় আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, শহিদুল ও তার মা একসঙ্গে থাকে। তারা অসহায়। যা ভাতা দেয়া হয়, তাতে চলে না। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসাও হয়নি। চিকিৎসা করাতে পারলে সে সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিত্রা শিকারী বলেন, শহিদুলের শিকলবন্দি জীবনের কথা জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media




প্রধান কার্যালয়ঃ স্কুল মার্কেট,২য় তলা, কচুয়া বাজার,সখীপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ 01518301289; 01708067997 ইমেইলঃ Kachuaonlinenews@gmail.com ©TangailNews24 Is A Part Of KachuaOnlineNews© © All rights reserved © 2021 Tangail News
Design BY NewsTheme