শিরোনাম :
সখীপুরে সংখ্যালঘু একটি পরিবারকে একঘরে করার অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

সখীপুরে সংখ্যালঘু একটি পরিবারকে একঘরে করার অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :‘সখীপুরে সংখ্যালঘু একটি পরিবারকে একঘরে করার অভিযোগ’ শিরোনামে গত ২৫ জুন আলোকিত বাংলাদেশ, সখীপুর বার্তা, নিউজ টাঙ্গাইলসহ বেশ কয়েকটি অনলাইনে যে সংবাদ প্রচার হয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বড়চওনা বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দির কমিটি।

তারা এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদটিকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক দাবি করে ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার রায় বলেন, আমরা হিন্দু সমাজের কাউকে এক ঘরে করে রাখিনি। আমরা জানতে পারি যে, বড়চওনা এলাকার মৃত নারায়ণ চন্দ্রের তিন ছেলে নির্মল চন্দ্র কর্মকার এর সাথে অপর দুই ভাই প্রাণ কৃষ্ণ ও গোপাল কর্মকারের সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

গত ১৮ জুন শুক্রবার সকালে ওই বিতর্কিত জমিতে ঘর দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। এ নিয়ে দুই পক্ষই সখীপুর থানায় অভিযোগও করেছেন। এটা ভাইদের মধ্যে নিতান্তই পারিবারিক বিষয়। এ নিয়ে আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনো মাথাব্যাথা নেই। এখানে ঝগড়ায় লিপ্ত হওয়া দুই পরিবারই সংখ্যালঘু ও তারা পরস্পরের আপনভাই। ওই সংবাদে সংখ্যালঘু শব্দটি অহেতুক ব্যবহার করা হয়েছে।
সংবাদে আরও বলা হয়েছে, নির্মল চন্দ্র কর্মকারের পরিবারের সদস্যদের সমাজবাসীর সঙ্গে মেলামেশা, চলাফেরা ও বাড়ি থেকে বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক। এটা সত্য যে, একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে ওই সংবাদ তৈরিতে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য পরিবেশন করেছেন।
বড়চওনা এলাকার ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, এক ঘরে করে রাখার খবরটি বানোয়াট ও কাল্পনিক। আমার জানামতে কাউকে একঘরে করার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
বড়চওনা বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার রায় ওই প্রতিবাদ পত্রে আরও বলেন, ওই জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে (হাই কোর্ট) আপিল মামলা চলমান থাকার পরও গত ২২ জুন ২৭জন গ্রহিতা বরাবর শ্রী নির্মল কর্মকার স্বজ্ঞানে ও হিন্দু সম্প্রদায়ের কাউকে না জানিয়ে গোপনে সখীপুর সাবরেজিস্টি কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রি করেন। এতে করে বড়চওনা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ খবরটি প্রচার হওয়ার পর খবরের সত্যতা খুঁজতে সখীপুর থানা-পুলিশ সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশও এ সংবাদের সত্যতা খুঁজে পাননি।

Please Share This Post in Your Social Media




প্রধান কার্যালয়ঃ স্কুল মার্কেট,২য় তলা, কচুয়া বাজার,সখীপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ 01518301289; 01708067997 ইমেইলঃ Kachuaonlinenews@gmail.com ©TangailNews24 Is A Part Of KachuaOnlineNews© © All rights reserved © 2021 Tangail News
Design BY NewsTheme