শিরোনাম :
করোনায় দেশে একদিনে আরো ৩৯ জনের প্রাণহানি। আক্রান্ত ১৬৩৭!

করোনায় দেশে একদিনে আরো ৩৯ জনের প্রাণহানি। আক্রান্ত ১৬৩৭!

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা সংক্রমণে আরো ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৩ হাজার ৭১ জন। একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৬ জন হয়েছে।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৫৯০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে একদিনে আরো ২ হাজার ১০৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ জন।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গতবছর ৮ মার্চ। তা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

এর আগে গতকালও দেশে ২ হাজার ৪৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিলো এবং ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আড়াই মাস পর গত বছরের ১০ জুন মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়ায়। এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ অগাস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা।

এরপর কমে আসে দৈনিক মৃত্যু। ৪ নভেম্বর ৬ হাজার, ১২ ডিসেম্বর ৭ হাজারের ঘর ছাড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি ৮ হাজার এবং ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়ায়।

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর ১৫ দিনেই এক হাজার রোগীর মৃত্যু ঘটে, গত ১৫ এপ্রিল মৃতের মোট সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।
এর পরের এক হাজার মৃত্যু ঘটতে সময় লাগে আরো কম, মাত্র দশ দিনে মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায় ২৫ এপ্রিল। তার ১৬ দিন পর ১১ মে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এক মাসের মাথায় শুক্রবার তা ১৩ হাজার ছাড়াল। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭ কোটি ৪৪ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৭ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি মানুষের। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা অন্তত দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়

Please Share This Post in Your Social Media




প্রধান কার্যালয়ঃ স্কুল মার্কেট,২য় তলা, কচুয়া বাজার,সখীপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ 01518301289; 01708067997 ইমেইলঃ Kachuaonlinenews@gmail.com ©TangailNews24 Is A Part Of KachuaOnlineNews© © All rights reserved © 2021 Tangail News
Design BY NewsTheme