এখনই সতর্ক না হলে আসতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ—স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার সকালে অনলাইনে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বােধন অনুষ্ঠানে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবারো সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দেন।

পরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের চেষ্টায় করোনার প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছিলো। কিন্তু এরপরই লোকজনের মধ্যে সচেতনতা কমে যায়। মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিও মানতে দেখা যায়নি অনেককে। ফলে দেশে দেখা দিয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।
এখন জনগণ সচেতন না হলে পরিস্থিতি মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাহিদ মালেক।


জাহিদ মালেক বলেন, করোনা দ্বিতীয় ঢেউ কেন এলো, এখনই এর কারণ কী সেটা চিহ্নিত করতে হবে। আমরা করোনার বিস্তার রোধে বিয়ে, জন্মদিনসহ যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ করেছি। জনসমাগম নিরুৎসাহে সব ধরনের সভা-সমাবেশ সীমিত করা হয়েছে। করোনার উৎপত্তি স্থানগুলোসহ পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে। ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিলসহ সব ধরনের মেলা, পিকনিক বন্ধ রয়েছে। এভাবে কিছুদিন চললে আশা করা যায় করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, জনগণের খাদ্যাভাস ও খাদ্য পরিকল্পনায় পুষ্টির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে এবার পুষ্টি সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবুন। সুস্থ, সবল ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে আগামী ২৩ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে পালিত হবে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০১৯।

ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ প্রমুখ।