টাঙ্গাইলে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ!

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত সহায়তাকারী সুমি বেগমকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।



এর আগে গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলার (৩ নভেম্বর) রাতে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মামলার প্রধান আসামি রতন সিকদার ওই ছাত্রীকে প্রতিবেশী আবু মিয়ার অটোরিকশার রাখার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। আবু মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম এ ঘটনায় সহায়তা করে। ছাত্রীর মা সন্ধ্যায় মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে প্রতিবেশিদের বাড়িতে খুঁজতে থাকেন।



এক পর্যায়ে তিনি আবু মিয়ার অটোরিকশা রাখার ঘর থেকে মেয়েকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন। এসময় সেখান থেকে রতন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই রাতেই দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরদিন ঘটনা মীমাংসার করতে স্থানীয় মাতাব্বররা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে তিনদিন স্থানীয় মাতব্বররা মীমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত রতন ও প্রতিবেশী সুমি বেগমের নামে দেলদুয়ার থানায় একটি মামলা দায়ের করে।



দেলদুয়ার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সহায়তাকারী সুমি বেগমকে আটক করে বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রতন সিকদার পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

(পিবিএন২৪)

error: Content is protected !!