টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

(ফাইল-ছবি) টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সরবতের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে হাত পা বেধে ধর্ষণের অভিযোগ। থানায় মামলা দায়ের। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী স্বজন ও এলাকাবাসীর।



পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতা স্কুল ছাত্রী প্রতিবেশী এক চাচীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। একই এলাকার কামাল শিকদারের লম্পট ছেলে রতন ঐ বাড়িতে আসে। এসময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রতিবেশী চাচী নির্যাতিতাকে কেক খাওয়ায়। পরে নির্যাতিতা নিজ হাতে টিউবওয়েলে গিয়ে পানি খেতে চাইলে প্রতিবেশী চাচী তাকে বাধা দেয় এবং লম্পট রতনকে ঘর থেকে পানি এনে দিতে বলে। এসময় রতন পানি এনে খাওয়ানোর কিছুক্ষণ পরেই নির্যাতিতা অচেতন হয়ে পরে। এসময় প্রতিবেশী চাচীর সহযোগিতা য় নির্যাতিতার হাত পা বেধে তাকে ধর্ষণ করে রতন চলে যায়।



এদিকে নির্যাতিতা বাড়ি না ফেরায় তার বড় বোন এবং মা তাকে খুঁজতে আসলে চাচীর ঘরে হাত পা বাধা অবস্থায় দেখতে পায় নির্যাতিতাকে। পরে এবিষয়ে জানাজানি হলে লম্পট রতন নির্যাতিতার মায়ের কাছে ক্ষমা চায় এবং কাউকে কিছু না জানানোর অনুরোধ করে। এ ব্যাপারে তিন দিন স্থানীয় মাতব্বররা মীমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে আজ রাতে নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে রতন ও প্রতিবেশী চাচীর নামে দেলদুয়ার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে।



আগামীকাল নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ। এদিকে কিশোরীকে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে ধর্ষণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসীরা।

(সময় সংবাদ)

error: Content is protected !!