তুরস্ক-গ্রিসে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্প! এ পর্যন্ত নিহত ২২

তুরস্ক ও গ্রিসে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবনধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জনে। আহত হয়েছে ৭শর বেশি মানুষ।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তুরস্কের ইজমিরে। সেখানে মৃতের সংখ্যা ২০। প্রতিবেশি দেশ গ্রিসে মারা গেছে দুই শিশু। ভূমিকম্পের পর দুই দেশেই আঘাত হানে সুনামি। বন্যায় প্লাবিত হয়েছে গ্রিসের সামোস দ্বীপ ও তুরস্কের ইজমি শহরের উপকূলের কিছু অংশ।

শুক্রবার ওই ভূমিকম্পে দুই দেশে ৮ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এখনো অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

ভূমিকম্পের উৎসস্থল মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার নিচে ছিল বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থান থাকায় প্রায়ই তুরস্ক ও গ্রিসে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপসংস্থা ইউএসজিএসর তথ্যানুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল গ্রিসের সামোস দ্বীপের কারলোভাসি শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে। এর মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭। তবে এর মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৬ বলছে তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, গ্রিসের ভূমিকম্প জরিপ সংস্থা বলছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

গ্রিসের সরকারি টেলিভিশনে বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পের পর পূর্বাঞ্চলীয় এজিয়ান সাগরের সামোস দ্বীপে ক্ষুদে-সুনামির সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিকমাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, সাগরের উত্তাল গর্জনে ইজমির শহরের রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। নগরীতে ভবন ধসের স্থানগুলো থেকে ঘন সাদা রঙয়ের ধোঁয়া উড়ছে। স্থানীয়রা স্বজনদের উদ্ধারে এদিক সেদিক ছুটছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে তল্লাশি চালাচ্ছেন তারা।

error: Content is protected !!