লা লীগায় প্রথমবারের মতো পয়েন্ট হারালো বার্সেলোনা

লিগে প্রথমবারের মত হোঁচট খেল বার্সেলোনা। নিজেদের মাঠে খেলেও সেভিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে লিওনেল মেসির দল। লুক ডি ইয়ং সেভিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার পর সমতা ফেরান ফিলিপে কৌতিনিয়ো।

তাতে মৌসুমে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট হারাল বার্সেলোনা ও সেভিয়া দু’দলই।লা লিগা শুরু হতেই চেনা রূপে বার্সা। প্রতিপক্ষের একটা গোলও এখনো হজম করেনি। সেভিয়ার সঙ্গে ম্যাচও সে শঙ্কা জাগেনি। ন্যু ক্যাম্পে যে ২০০২ এর পর আর কখনো সেভিয়ার বিপক্ষে হারেনি। তবে কালে ভাদ্রে যারা বার্সার ম্যাচ দেখেন, তারা বিভ্রান্ত হতে পারেন। গেল মৌসুমে দলটিতে খেলা ইভান রাকিতিচ যে এই ম্যাচে প্রতিপক্ষ!



বার্সার মাঠে ম্যাচের ৮ মিনিটে এগিয়ে যায় সেভিয়া। সুসোর ক্রস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি ফ্রেংকি ডি ইয়ং। সুযোগ পেয়ে লুক ডি ইয়ং এগিয়ে নেন সেভিয়াকে। নতুন মৌসুমে এই প্রথম গোল খায় বার্সেলোনা।

হতাশার ভার বইতে হয়নি মেসি-গ্রিজম্যানদের। দুই মিনিটের ভেতর সমতা ফেরে বার্সেলোনা। লিওনেল মেসির প্রচেষ্টায় বল যায় কৌতিনিয়োর পায়। লক্ষ্য খুঁজে নিতে খুব বেশি সময় নেননি ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। বায়ার্ন মিউনিখ থেকে ফিরে বার্সার জার্সিতে তার প্রথম গোল।

প্রথমার্ধের বাকি সময় বার্সার হয়ে সুযোগ গড়েছিলেন গ্রিজম্যান ও লিওনেল মেসি। তবে সেই কাঙ্খিত গোলের দেখাই পাননি। ১-১ গোলের স্কোর লাইন নিয়ে বিরতিতে যায় দু’দল।




বিরতি থেকে নিজেদের মাঠে জয় পেতে ফরমেশনে পরিবর্তন আনেন রোনাল্ড কোম্যান। আতোয়ান গ্রিজম্যান ও আনসু ফাতিকে বসিয়ে মাঠে নামান ট্রিনকাও ও পেদ্রিকে। কাজের কাজ কিচ্ছু হয়নি। বল নিয়ে এলোমেলো শটে সময় নষ্ট করা ছাড়া।

ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন সেভিয়াও পালটা আক্রমণ চালায়। ৬৪ মিনিটে একটুর জন্য বেঁচে যায় বার্সেলোনা। ৮১ মিনিটে মেসির শটও ফাঁকি দিতে পারেননি সেভিয়া গোলরক্ষকে। তাতে পয়েন্ট হারানোর হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় লিওনেল মেসিদের। তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে বার্সেলোনা। গোল পার্থক্যে পিছিয়ে তাদের পরেই আছে সেভিয়া।

(জাগো ডেস্ক)

error: Content is protected !!