বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ক্যাম্পাসগুলো এখন ডেঞ্জার জোনে পরিণত হয়েছে–রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ক্যাম্পাসগুলোর যেখানে ছাত্রলীগ-যুবলীগের অফিস রয়েছে, সেসব স্থান সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ডেঞ্জার জোনে পরিণত হয়েছে। অভিভাবকরা এখন তাদের সন্তানদের ক্যাম্পাসে শিক্ষাঙ্গনে পাঠাতে ভয় পায়। বিশেষ করে মেয়েদের পাঠাতে ভয় পায়। বৃহস্পতিবার এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে রিজভী এ কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মহানগর উত্তরের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার প্রতিবাদে এই মানববন্ধন করা হয়। বৃষ্টির মধ্যে ভিজে সহস্রাধিক নেতাকর্মী এই মানববন্ধনে অংশ নেন। মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আনজুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম, আবদুস সালাম আজাদ, উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম নকি, যুগ্ম সম্পাদক এম কফিল উদ্দিন আহমেদ, এজিএম শামসুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের নির্বাচনি প্রচারণায় ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের হামলার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ লাঠিপেটার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। এজন্যই তারা বিরোধী দল ও মতের নির্বাচনি সভা, মিছিল, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিচ্ছে। এই সন্ত্রাসীরা কাপুরুষ। যেদিন তাদের কাছে রাষ্ট্রশক্তি থাকবে না তারা কোথায় লুকানো যায় সেই গর্ত ওরা খুঁজে বেড়াবে। কারণ রাষ্ট্রশক্তি যখন থাকবে না, তখন পুলিশ থাকবে না, র‌্যাব থাকবে না, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকবে না। ওদেরকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে ‘ইনডেমনিটি’ নাটক রচনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে ইনডেমনিটি নাটকটি তারা রচনা করেছেন এটি একটি চটি নাটক। তারা মনে করেছে, সম্রাট, খালেদ এরা ক্যাসিনো করে এত টাকা বানিয়েছে, ফরিদপুরের ছাত্রলীগের নেতা শামীম ২ হাজার কোটি টাকা বানিয়েছে তাহলে আমরাও করি। শেখ হাসিনার একটু চামচামি করে, জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে একটা নাটক বানাই। তাহলে ঘোড়াশালে ঘোড়া, হাতিশালে হাতি রাখা হবে, আমরা রাজপ্রাসাদের মধ্যে বসবাস করতে পারব। জনগণই এই নাটক রচয়িতাদের একদিন বিচার করবে।

(যায় যায় দিন)

error: Content is protected !!