টাঙ্গাইলে প্রবল স্রোতে ভেসে গেলো কালভার্ট! দুর্ভোগে অর্ধশত গ্রামের মানুষ

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি কালভার্ট ভেসে গেছে। ফলে তিনটি উপজেলার প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কের বাসাইল দক্ষিণপাড়ায় অবস্থিত সাড়ে চার মিটার দৈর্ঘ্যের কালভার্টটি হঠাৎ করে ভেসে যায়।
জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পানি বৃদ্ধির প্রভাবে বিভিন্ন এলাকার নিচু সড়কগুলো ডুবে যাচ্ছে। উপজেলার গ্যারামাড়া বিলে পানি বৃদ্ধির কারণে বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কের ওই

কালভার্টের নিচ দিয়ে প্রবল সোতের সৃষ্টি হয়। পরে বৃহস্পতিবার সকালে কালভার্টটি ভেসে যায়।
স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে বাসাইল উপজেলার আদাজান, কাঞ্চনপুর, বিলপাড়া, বালিনা, ভোরপাড়া, হাবলা, মির্জাপুর উপজেলার কুর্ণী, ফতেপুর, পাটখাগুড়ী, মহেড়া, ভাতকুড়া, আদাবাড়ি ও দেলদুয়ার উপজেলার নাটিয়াপাড়াসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতো। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার কারণে এসব এলাকার মানুষের বাসাইল সদরের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেলো।



স্থানীয় বাসিন্দা মুলহাম মিয়া বলেন, ‘কালভার্টটির পাশের জমিটি আমার। পানির প্রবল স্রোতের কারণে কালভার্টটি ভেসে যায়। এ কারণে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতরত মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। এখানে দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’
উপজেলা প্রকৌশলী রোজদিদ আহমেদ বলেন, ‘১৯৯৫ সালে এলজিইডি কর্তৃক পাঁছ লাখ টাকা ব্যয়ে সাড়ে চার মিটার কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পূর্বেই এই কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

পানি বৃদ্ধির ফলে প্রবল স্রোতে কালভার্টটি ভেঙে গেছে। সেখানে ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।’

(আলোকিত সখীপুর)

error: Content is protected !!