এমসি কলেজে ধর্ষণ: ছয় আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলায় ৬ আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে আজ। এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। আর এ ঘটনায় সরকার শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলা তদন্তে ৬ আসামির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার ল্যাবে তাদের নমুনা নেয়া হয়। ধর্ষণের অভিযোগকারী নারীর ডিএনএ’র সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার ফল মিলিয়ে শনাক্ত হবে অপরাধী।

গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় এমসি কলেজের ছাত্রাবাসসহ আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। হাইকোর্টের নির্দেশে ২৯ সেপ্টেম্বর, নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বজলুর রহমানকে প্রধান করে ৪ সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।




ধর্ষকরা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে বলেও জানিয়েছেন, ওই এলাকার সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ধর্ষণের প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে নাগরিক সমাজ। দ্রুত বিচার করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান, সংগঠেনটির নেতাকর্মীরা।

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গত শুক্রবার রাতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, শাহ মো. মাহবুবুর রহমান ওরফে শাহ রনি ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে এজাহারভুক্ত আসামি করে মামলা হয়। মামলার এজাহারের বাইরে আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়। এজাহারভুক্ত ছয়জন আসামিসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

তাঁরা সবাই এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত। প্রথম পর্যায়ে গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামি সাইফুর রহমানসহ তিনজনকে সোমবার, দ্বিতীয় ধাপে সন্দেহভাজন দুই আসামিসহ তিনজনকে মঙ্গলবার, তৃতীয় পর্যায়ে তারেকসহ দুজনকে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

error: Content is protected !!