ম্যানসিটিকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে লিওঁ

কপাল পুড়লো ম্যানচেস্টার সিটির। পিছিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত আর হার এড়াতে পারলোনা সিটিজেনরা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে অলিম্পিক লিওঁ-র কাছে ৩-১ গোলে হেরে আসর থেকে বিদায় নিলো পেপ গার্দিওলার দল। সিটির হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অধিনায়ক ডি ব্রুইনি।

বল পজিশন, বল দখল কিংবা টার্গেট অনুযায়ী শট। সবকিছুই ছিলো ম্যানচেস্টার সিটির দখলে। তারপরও শেষ পর্যন্ত হারের তিক্ততা নিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে পড়তে হলো ম্যানচেস্টার সিটিকে।

ইতিহাদে স্বাগতিক হওয়ার পুরো সুবিধা নিয়েই এদিন অলিম্পিক লিওঁ-র বিপক্ষে মাঠে নামে ম্যানচেস্টার সিটি।

লিওঁ, যারা কিনা পরিসংখ্যান আর শক্তিমত্তা দুদিক থেকেই পিছিয়ে সিটিজেনদের চেয়ে। তাই ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের দিক দিয়ে এগিয়ে সিটিজেনরা। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোলের দেখা মিলছিলো না স্বাগতিকদের। উল্টো ২৪ মিনিটে ম্যানসিটিকে চমকে দিয়ে লিওঁর হয়ে লিড আনেন কোরনেট।

বিরতিতে যাওয়ার আগে প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিট সব উজাড় করে লড়েছে ম্যান সিটি। বেশ ভালো সুযোগও পেয়েছিলো তারা। কিন্তু ৪২ মিনিটে স্টার্লিং এর বাড়ানো বল গোলে রূপ দিতে পারেননি মিডফিল্ডার রদ্রি। ফলে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে স্বাগতিকরা।

বিরতির পরও বল দখলে এগিয়ে থাকে ম্যান সিটি। ফলাফল আসে ৬৯ মিনিটে। সেই স্টার্লিংয়ের অ্যাসিস্টেই জালের ঠিকানা খুঁজে পান ক্যাপ্টেন ডি ব্রুইনি। সমতায় ফেরে পেপ গার্দিওলার দল।

তবে, সমতায় ফিরেও স্বস্তি মেলেনি স্বাগতিকদের। ৭৯ মিনিটেই আবারো এগিয়ে যায় লিওঁ। এবার অতিথিদের হয়ে স্কোরখাতায় নাম লেখান মৌসা ডেমবেলে। ডি বক্সের ভেতরে কোন বাধা ছাড়াই দলকে এগিয়ে নেন এই ফরোয়ার্ড। যদিও এই গোল নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিটি। তবে, তা ধোপে টেকেনি।

আবারো সমতায় ফেরার দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিলেন স্টার্লিং। কিন্তু সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন মৌসুমে ৩১ গোল করা এই মিডফিল্ডার। যা হতাশা পৌছে যায় ডাগআউটেও।

এরপর ম্যাচের ৮৭ মিনিটে লিওঁ-র হয়ে আরো একটি গোল করেন ডেমবেলে। তাতে জয়ের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যায় অতিথিরা। শেষদিকে, দু’দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে। তবে, তার একটিও জালের দেখা না পাওয়ায় হার সঙ্গী হয় ম্যানচেস্টার সিটির। অন্যদিকে, সেমিফাইনালের টিকিট নিয়ে ঘরে ফেরে অলিম্পিক লিওঁ।

(সময় ডেস্ক)

error: Content is protected !!