চ্যাম্পিয়ন্স লীগে বায়ার্নের কাছে ৮-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারল বার্সেলোনা

ম্যাচটিকে সবাই ধরে নিয়েছিল, ফাইনালের আগে আরেক ফাইনাল হিসেবে। বার্সেলোনা এবং বায়ার্ন মিউনিখের খেলা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো হওয়ারই কথা।কিন্তু মাঠের খেলায় বার্সাকে খুঁজে পাওয়াই যেন দায়।

লিওনেল মেসিরা মাঠে নেমেছে যেন শুধু বায়ার্নের আক্রমণ ঠেকানোর জন্যই। নিশ্চিত আরও কয়েকটি গোলের সুযোগ মিস না হলে স্কোরলাইন আরও বাজে হতে পারতো। লিখতে হতো হয়তো, বার্সার জালে একের পর এক গোল দিয়েই গেলো বায়ার্ন।প্রথমার্ধের খেলা দেখে মনে হচ্ছে, বার্সেলোনার ডিফেন্স বলতে কিছুই নেই।

মাঝ মাঠে ভিদাল আর বুস্কেটস উপরে-নিচে দৌড়াচ্ছেন শুধু। মেসি বারবার জায়গা পরিবর্তন করে চেষ্টা করছেন একটা-দুটা বল পাওয়া যায় কি না। সুয়ারেজ মাঠে ছিলেন কি না দেখা গেছে শুধুমাত্র প্রথমার্ধের শেষ দিকে বায়ার্নের পোস্টে একটি শট নেয়ার পর। বলা বাহূল্য, সেই শট কোনো কাজেই আসেনি।

৪র্থ মিনিটেই বার্সার জালে বল জড়িয়ে দেন বায়ার্নের থমাস মুলার। রবার্ট লেওয়াডস্কির পাসকে আলতো পায়ে বার্সার জালে ঠেলে দিলেন মুলার।

খেলার সপ্তম মিনিটে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন ডেভিড আলাবা। ব্যবধান ১-১।

২১তম মিনিটে ইভান পেরিসিক বাম পায়ের দারুণ এক প্লেসিং শটে বার্সার জালে বল জড়ান। গোলরক্ষক টার স্টেগান ঝাঁপিয়ে পড়ে, পায়ে ঠেকিয়েও পারেননি গোল ঠেকাতে।

২৭ মিনিটে সার্জি গিনাব্রি বক্সের মাঝ বরাবর থেকে ডান পায়ের শটে বল জড়িয়ে দেন বার্সার জালে। গোরেৎজকার পাস থেকে বল পেয়েছিলেন তিনি।

৩১ মিনিটেই ৪-১ ব্যবধান করে ফেলেন থমাস মুলার। ডান কর্নার থেকে জসুয়া কিমিচের দারুণ একটি পাস থেকে আসা বলে শুধু পা ঠেকিয়ে দেন মুলার। টার স্টেগানকে ফাঁকি দিয়ে বলটা জড়িয়ে গেলো মেসিদের জালে। হয়ে গেলো ৪-১।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাকা পেয়ে লিড কমান লুইস সুয়ারেজ।

৬৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে আবারো লিড নেয় বায়ার্ন স্কোর তখন ৫-২।

শেষদিকে ৮২ মিনিটে লেওভানডস্কি ও ৮৫ মিনিটে কৌটিনহোর জোড়া গোলে ৮-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ।

error: Content is protected !!