টাঙ্গাইলে অটোগাড়ি ছিনতাইকালে জনতার হাতে ধরা পড়ল দুই যুবক

এক যুবক, দুই কিশোর আর এক কিশোরি। অটো সিএনজি ভাড়া করেছেন ঘুরে বেড়াবেন বলে। কিন্তু তাদের আসল উদ্দেশ্য ঘুরে বেড়ানো নয় বরং সুযোগ বুঝে কৌশলে গাড়ি ছিনতাই করা। এমন কৌশলে অটো সিএনজি ছিনতাই চেষ্টাকালে জনতার হাতে ধরা পড়ার পরই জানা গেছে তাদের এই অভিনব কৌশলের কথা।

গত বুধবার ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের আগ ধল্যা এলাকায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে দুই কিশোর ও এক কিশোরিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। তবে জনতার ধাওয়ায় পাশবর্তী বিলের লাফিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাকারী চক্রের এক যুবক।এ ঘটনায় শুক্রবার (২৪ শে জুলাই) একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মুরাদুজ্জামান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মুজাহাটি গ্রামের হুমায়ন খানে ছেলে মো. মাছুম খান, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থানার রহিমপুর গ্রামের রুপচানের ছেলে রতন (১২)। তবে এ ঘটনায় পুলিশে সোপর্দকৃত কিশোরীটির কোন সম্পৃত্ততা নেই দাবি করে মামলায় তার নাম রাখা হয়নি।

ছিনতাইয়ের কবলে পড়া অটো সিএনজি চালক আজিজুল হক (২৪) বলেন, গত বুধবার দুপুরের দিকে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়ানোর কথা বলে টাঙ্গাইল নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে দুই কিশোর, এক যুবক ও এক কিশোরী তার অটো সিএনজিটি ভাড়া করেন। এরপর শহরের কয়েকটি স্থানে বেড়ানোর পর তারা মির্জাপুরের দিকে আসতে বলে।কিন্তু মির্জাপুর আসার পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আগ ধল্যা এলাকার সাদিয়া টেক্সটাইল সংলগ্ন স্থানে পৌছলে হঠাৎ মোটর সাইকেল যোগে এক যুবক তার অটোর গতিরোধ করে ও অটোর ভিতরে যাত্রী বেশে থাকা ছিনতাইকারীরা তাকে চড় থাপ্পর মেরে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে অটো নিয়ে মির্জাপুরের দিকে রওনা দেয়। এরপর অন্য একটি লেগুনার সহায়তায় আজিজুল আগ ধল্যা আন্ডারপাস এলাকায় এসে অটোটিকে ধরতে সমর্থ হয়।মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সায়েদুর রহমান বলেন, আটককৃত ৩ জনের মধ্যে কিশোরী মেয়েটি আসলে ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত নয়। ছিনতাইকারী একজনের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকায় মেয়েটি ওই অটোতে ছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ড আবেদন করে কোর্টে প্রেরণ করা হবে।

error: Content is protected !!