সখীপুরে সামাজিক দূরত্ব মানছেন না বেশিরভাগ মানুষ। সংক্রমণ বৃদ্ধির আশংকা

সখীপুরে জনসমাগমস্থলগুলােতে স্বাস্থ্যবিধির
তােয়াক্কা করছে না অধিকাংশ মানুষ। সকাল হলেই শুরু হয় স্থানীয় হাটবাজার। কিছুদিন আগেও সামাজিক দূরত্ব মেনে বিভিন্ন মাঠে হাট বসলেও বর্তমানে তা যেন আগের ধারায় ফিরিয়ে নিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারাম
রাস্তাঘাটে বেরুলেই দেখা মিলছে জনস্রোত। প্রতিনিয়ত গা ঘেঁষাঘেঁষি করে চলছে দৈনন্দিন
চলাফেরা ও কেনাকাটা। অবস্থা দেখে যেন বুঝার উপায় নেই যে করোনায় দেশে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত মানুষ মারা যাচ্ছে।
করােনাভাইরাসের সংক্রমণ রােধে মাস্ক ব্যবহারের
ওপর সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও এ উপজেলার বেশির ভাগ লােকজন তা মানছেন না।

বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমেও জনগণকে যেন মাস্ক ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতন করা যাচ্ছে না।

গতকাল রােববার দুপুরে সখীপুর-কচুয়াসহ আশেপাশের বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা
গেছে, কারাে মধ্যেই সামাজিক দূরত্ব মানার কোনাে বালাই নেই!
বেশির ভাগ লােক মাস্কও ব্যবহার করছে না। কেউ কেউ মুখে না পরে গলায় ঝুলিয়ে রেখেছে। জিজ্ঞেস করলে নানা ধরনের অজুহাত দিচ্ছে।
এদিকে ব্যাটারীচালিত অটো ও সিএনজি অটো রিকশাগুলাে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পাঁচ থেকে
ছয়জন যাত্রী নিয়ে সড়ক অবাধে চলাচল করছে।
একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা জানান , ‘সংসারের প্রয়ােজনে বাজারে যেতে হয়। নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে বের হলেও বেশির ভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার না করায় ঝুঁকি থেকেই যায়।”
সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুস সােবহান বলেন, দুই
মাসের বেশি সময়ে সখীপুরে শিশু নারী-পুরুষ মিলিয়ে ২৮ জন
করােনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সম্প্রতি রােগীর সংখ্যা বেড়ে
যাচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই ঢাকা, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ফেরা। এদের মধ্যে ১৩জন পুরােপুরি সুস্থ হয়েছেন। বাকিদের চিকিৎসা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমাউল হুসনা লিজা জানান, ‘মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। স্বাস্থবিধি বিষয়টি প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। তবেবতারপরও নিজ থেকে সচেতন না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(Collected)

error: Content is protected !!