সখীপুরে যেভাবে করোনাকে জয় করলেন একই পরিবারের ৫ জন

টাঙ্গাইলের সখীপুরে হোম কোয়ারেন্টিন মেনে নিয়মিত গরম পানি পান করা, ব্যবহার, লেবুর শরবত পান করে এক পরিবারের পাঁচজন করোনা বিজয়ী। শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুস সোবহান জানান উপজেলার লাঙ্গুলিয়া এলাকার রিপন, তার স্ত্রী রহিতন, মেয়ে ইমু, দুইছেলে, ইমরান ও মিল্টন সবাই এখন সুস্থ আছেন। আক্রান্ত হওয়ার ১৭ দিন পর সবাই সুস্থ হয়েছেন।
রিপন বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পরেছিলাম। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুস সোবহান ও আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. শাহিনুর আলম আমাকে মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে না পড়তে উৎসাহ দিতেন। প্রতিদিন মোবাইলে আমাদের খোঁজ খবর রাখতেন। সব সময় হাম কোয়ারেন্টিন মেনে নিয়মিত গরম পানি পান করতাম, ব্যবহার করতাম, লেবুর শরবত, আদা, দারচিনি ও লঙ্গ মিশিয়ে চা পান করতাম। শরীরে জ্বর থাকলে এন্টিবায়েটিক হিস্টাবিন, প্যারাসিটামল ও গ্যসটিকের ক্যাপসুল খেয়েছি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা সবাই পৃথক বিছানায় থাকতাম। প্রচুর পরিমান পুষ্টিকর খাবার যেমন মাছ, দুধ, ডিম, ও ফল খেয়েছি।
তিনি আরও্ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা লিজা আমাদের মায়ের মতো উপকার করেছেন। আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই আমাদের বাড়িতে চাউল, ডাউল, মাছ, দুধ, ডিম তরু তরকারিসহ সব কিছুই পাঠিয়ে দিতেন। মোবাইলে খোঁজ খবর নিতেন। অনেক ধরনে ফল পাটিয়ে দিতেন। আমি ও আমার পরিবার ম্যাডামের প্রতি কৃতজ্ঞ। এ ছাড়া আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যন এ.কে.এম আতিকুর রহমান ( আতোয়ার) আমাদের খোঁজ খবর নিতেন।
আল্লাহ রহমতে আমি ,আমার স্ত্রী রহিতন, মেয়ে ইমু, দুই ছেলে ইমরান ও মিল্টন এখন করোনা মুক্ত। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
এছাড়া একই ভাবে পৌর এলাকার সোনা মিয়া নামের করেনায় আক্রান্ত এক রোগী সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে সখীপুরে কোন করোন রোগী নেই।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুস সোবহান বলেন, আল্লাহর রহমতে ওরা আমাদের সব ধরনের নির্দেশনা মেনে চলার কারনে ওরা সবাই সুস্থ। এ ছাড়া পৌর এলাকার সোনা মিয়া নামের আরো এক রোগী সুস্থ হয়েছেন। এখন সখীপুরে কোন করোন রোগী নেই।

error: Content is protected !!