নিয়মিত গরম পানির ভাপ আর গার্গলে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন বাবা ও দুই মেয়ে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় করোনাভাইরাসমুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন বাবা ও দুই মেয়ে।গতকাল রোববার (০৩ মে) সন্ধ্যায় হাসপাতাল থেকে সুস্থতার ছাড়পত্র নিয়ে নিজ ঘরে ফিরেছেন তারা।তারা হলেন- ভৈরবের কমলপুর এলাকার কাজী আবুল হোসেন ও তার বড় মেয়ে হালিমা তুজ স্নিগ্ধা এবং ছোট মেয়ে নওশীন শার্মিলী নীরা। বাবা ব্যবসায়ী ও দুই মেয়ে কলেজশিক্ষার্থী।গত ১৭ এপ্রিল বড় মেয়ে স্নিগ্ধা প্রথমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। পরে তাকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এরপর পরিবারের আরও চারজনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে বাবা ও ছোট বোনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর তাদের দুইজনকেও একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। ১৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাবা ও দুই মেয়ে সুস্থ হন। রোববার তাদের ছাড়পত্র দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।সুস্থ হয়ে হালিমা তুজ স্নিগ্ধা বলেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম। তারপর আমার বাবা ও ছোট বোন আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই।তখন হাসপাতালে বসে শুধু আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি। কারণ আমার জানা ছিল করোনার নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই; আল্লাহ-ই কেবল বাঁচাতে পারেন। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের সুস্থ করে দিলেন। আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া।তিনি বলেন, চিকিৎসকদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। তাদের সেবায় আমরা সুস্থ হয়েছি। পাশাপাশি ২-৩টি করে নরমাল ট্যাবলেট আমাদের দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আমরা নিয়ম মেনে তিনবেলা সেবন করেছি এসব ওষুধ। সেই সঙ্গে গরম পানির ভাপ নিয়েছি, গার্গল করেছি, লেবুর শরবত পান করেছি, ফল খেয়েছি এবং ব্যায়াম করেছি। নিয়ম-কানুন মেনে চলেছি বলে দ্রুত করোনামুক্ত হয়েছি আমরা।

error: Content is protected !!