সখীপুরের জঙ্গলে ফেলে যাওয়া ওই মায়ের ছেলের দাবি- মা ২১ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। জঙ্গলে ফেলে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

সখীপুরের জঙ্গলে ফেলে যাওয়া ওই মায়ের ছেলের দাবি- মা ২১ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। জঙ্গলে ফেলে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

টাঙ্গাইলের সখীপুরের বনে ফেলে যাওয়া ওই মা করোনা আক্রান্ত নন। ওই মা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। আজ বুধবার বেলা তিনটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শাহীনুর আলম এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ওই নারীর পরিচয় মিলেছে। ওই নারীর ছেলে ছানোয়ার হোসেন দাবি করেন- তাঁর মা ২১ দিন আগে শেরপুরের শ্রীবর্দী থানার ঢনঢনিয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। আমার মা একজন মানসিক রোগী। তাই মাকে করোনা সন্দেহে সখীপুরের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমার বাবার নাম শাহমত। তিনি বাড়িতেই থাকেন। দুই বোন শাবানা ও শাহানার বিয়ে হয়েছে। তারা কোনো চাকরি করেন না। শুধু আমি গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরি করি। মা যা বলেছেন তা সঠিক নয়। মঙ্গলবার টেলিভিশনে ছবি দেখে আমি মাকে শনাক্ত করি। আজ রাতে ঢাকা মেডিকেলে আমি আমার মায়ের কাছে যাব।

উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘গত সোমবার রাত আটটার দিকে বনের ভেতর থেকে এক নারীর কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা আমাকে খবর দেয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ এলাকার লোকজন ওই নারীর কাছে যান। ওই নারী তাঁর ছেলেমেয়েরা কীভাবে তাঁকে জঙ্গলে ফেলে গেছেন, সেই কাহিনি বলেন। পরে রাত ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) খবর দেওয়া হয়।

সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহীনুর আলম বলেন, সন্তানরা বনে ফেলে যাওয়া ওই মায়ের শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে ওই নারীকে আরও কয়েকদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনেই রাখা হবে। আরও নিশ্চিত হতে তিন-চারদিন পর দ্বিতীয়দফায় আবার নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হবে।

শেরপুর জেলার  নালিতাবাড়ী থানার ওসি বশির আহমেদ বাদল বলেন, ওই মহিলার বাড়ি নালিতাবাড়ী নয় তবে তাঁর বাড়ি শ্রীবর্দী উপজেলায়। শুনেছি ওই নারী গত ২৩ মার্চ নিখোঁজ হন। তবে এ বিষয়ে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে নিকটস্থ থানায় কোনো জিডি করা হয়নি।

এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, আমার মনে হয় ওই ছেলে সত্য বলছেন না।  প্রায় ২০ দিন ধরে তার মা হারিয়ে থাকলে কেন সে জিডি করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media




প্রধান কার্যালয়ঃ স্কুল মার্কেট,২য় তলা, কচুয়া বাজার,সখীপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ 01518301289; 01708067997 ইমেইলঃ Kachuaonlinenews@gmail.com ©TangailNews24 Is A Part Of KachuaOnlineNews© © All rights reserved © 2021 Tangail News
Design BY NewsTheme